ঢাকারবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের-সবখবর

ডাক্তার পদবি ব্যবহারের দাবীতে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিকদের মানব বন্ধন

প্রতিবেদক
বার্তা বিভাগ
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ ১০:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেয়ার👍দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

ইন্দো বাংলা সংবাদ ।। ডাক্তার পদবি ব্যবহারের দাবীতে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিকদের মানব বন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে চান বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিকরা। এ সংক্রান্ত দাবি জানিয়ে তারা মানববন্ধন করেছেন।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে এই দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার সংগঠন।

সংগঠনটির সভাপতি আরমান হোসেন বলেন, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৪ বছর ৬ মাস কলেজে লেখাপড়া করে সরকারি সব বিল পরিশোধ করে সরকারের রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হয়ে কেন ডাক্তার লিখতে পারব না? পেশাগত জীবনে আমরা আমাদের পেশাগত যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে চাই। তিনি বলেন, সম্প্রতি আদালত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা বেআইনি ঘোষণা করেছেন। আদালত স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে উক্ত আদেশটি দিয়েছেন যা, হোমিওপ্যাথিক আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

হোমিওপ্যাথিক বিষয়ে আলাদা আইন আছে যে, আইনটির নাম দ্য বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্রকিটিশনার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩। ৩৩ এর ‘এ’ ধারা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ে আইন ২০১৮ এর সেকশন ২ এর ক্রমিক নং ১২ অনুসারে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার অইনগতভাবে বৈধ। তার মতে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা আইনগতভাবে নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেন। ভারত-পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার নামের আগে ডাক্তার লেখে। কিন্তু আদালতের কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

এছাড়া মানববন্ধনে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ও ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- হাইকোর্টের রায়ের প্রতি পরিপূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করে ডাক্তার লেখার মৌলিক অধিকার ও রায়ের পর্যবেক্ষণে হোমিওপ্যাথির জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের মাধ্যমে অতি দ্রæত বাস্তবায়ন, ডিএইচএমএস কনডেন্স কোর্স চালু করা ও উচ্চ শিক্ষার পথ প্রশস্ত করা, ডিএইচএমএস কোর্সের মান নিশ্চিত করা, ডিএইচএমএস ডাক্তারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করা ও বিএইচএমএস ডাক্তারদের চাকরির সুযোগ বর্ধিত করা, হোমিওপ্যাথির জন্য কল্যাণকর হোমিওপ্যাথিক আইন প্রতিষ্ঠা করা, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা, দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে হোমিওপ্যাথির আলাদা ইউনিট তৈরি করা এবং সরকারিভাবে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি।

 

 

শেয়ার👍দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন